০৮:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রার্থী জানেন না নির্বাচনী আসনের সীমানা অবশেষে জরিমানা

দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন ফেনীতে নির্বাচনী এলাকা ভুল ভাবে প্রচার করায় এক সংসদ সদস্য প্রার্থীকে জরিমানা করা হয়েছে। ওই প্রার্থী হলেন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফেনী-২ আসনের বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের মনোনীত মোমবাতি প্রতীকের প্রার্থী মাওলানা নুরুল ইসলাম। তিনি নিজেই জানেন না তার নির্বাচনী আসনের সীমানা।

জানা যায়, নির্বাচনী প্রচারণা আরও আগে থেকে শুরু হলে ও ফেনী-২ আসনের মোমবাতি প্রতীকের প্রচারণা শুরু হয় শুক্রবার থেকে। শুক্রবার বিকেলে ফেনী শহরের বিভিন্ন স্থানে সবার নজরে আসে মোমবাতি প্রতীকের ব্যানার, পেস্টুন ও পোস্টার। ফেনী-২ আসনের নির্বাচনী এলাকা শুধুমাত্র ফেনী সদর উপজেলা নিয়ে গঠিত থাকলেও ওই প্রার্থী তার প্রচার সামগ্রীতে লিখেছেন ফেনী সদর ও সোনাগাজীর একাংশের প্রার্থী তিনি। বিষয়টা নজরে এলে শহর জুড়ে হাস্যরসের সৃষ্টি হয়। শহরে অনেকে বলাবলি করছেন হায়রে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন!

পরে সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বদরুদ্দোজ্জা পোস্টার, ব্যানার ও ফেস্টুনে বিভ্রান্তকর তথ্য দেওয়ায় ফেনী-২ আসনের মোমবাতি প্রতীকের বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের মনোনীত প্রার্থী মাওলানা নুরুল ইসলামকে শুক্রবার ২৯ ডিসেম্বর রাতে ৩ হাজার টাকা জরিমানা করেন এবং একই সঙ্গে সকল পোস্টার, ব্যানার ও ফেস্টুন প্রত্যাহারের আদেশ দেন।

ফেনী জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোছাম্মৎ শাহীনা আক্তার ভুল নির্বাচনী এলাকা প্রচার করায় প্রার্থীকে জরিমানা করে সকল প্রচার সামগ্রী প্রত্যাহারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের মনোনীত ফেনী-২ আসনের প্রার্থী মাওলানা নুরুল ইসলাম বলেন, এক সময় ফেনী-২ আসনের সঙ্গে সোনাগাজী উপজেলার একটি অংশ ছিল। সেই আলোকে প্রচার সামগ্রী তৈরি ও ব্যবহার করা আমার ভুল হয়েছে। তিনি বলেন, এরই মধ্যে মোমবাতি প্রতীকের এক হাজার পোস্টার, ৩০০ ফেস্টুন ও ১০টি ব্যানার ঝুলিয়েছি। এসব প্রচার সামগ্রীতে সোনাগাজীর একাংশ শব্দ দুটি কালি দিয়ে মুছে দেবো।

প্রার্থী জানেন না নির্বাচনী আসনের সীমানা অবশেষে জরিমানা

আপডেট সময় : ০৮:১৭:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২৩

দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন ফেনীতে নির্বাচনী এলাকা ভুল ভাবে প্রচার করায় এক সংসদ সদস্য প্রার্থীকে জরিমানা করা হয়েছে। ওই প্রার্থী হলেন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফেনী-২ আসনের বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের মনোনীত মোমবাতি প্রতীকের প্রার্থী মাওলানা নুরুল ইসলাম। তিনি নিজেই জানেন না তার নির্বাচনী আসনের সীমানা।

জানা যায়, নির্বাচনী প্রচারণা আরও আগে থেকে শুরু হলে ও ফেনী-২ আসনের মোমবাতি প্রতীকের প্রচারণা শুরু হয় শুক্রবার থেকে। শুক্রবার বিকেলে ফেনী শহরের বিভিন্ন স্থানে সবার নজরে আসে মোমবাতি প্রতীকের ব্যানার, পেস্টুন ও পোস্টার। ফেনী-২ আসনের নির্বাচনী এলাকা শুধুমাত্র ফেনী সদর উপজেলা নিয়ে গঠিত থাকলেও ওই প্রার্থী তার প্রচার সামগ্রীতে লিখেছেন ফেনী সদর ও সোনাগাজীর একাংশের প্রার্থী তিনি। বিষয়টা নজরে এলে শহর জুড়ে হাস্যরসের সৃষ্টি হয়। শহরে অনেকে বলাবলি করছেন হায়রে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন!

পরে সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বদরুদ্দোজ্জা পোস্টার, ব্যানার ও ফেস্টুনে বিভ্রান্তকর তথ্য দেওয়ায় ফেনী-২ আসনের মোমবাতি প্রতীকের বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের মনোনীত প্রার্থী মাওলানা নুরুল ইসলামকে শুক্রবার ২৯ ডিসেম্বর রাতে ৩ হাজার টাকা জরিমানা করেন এবং একই সঙ্গে সকল পোস্টার, ব্যানার ও ফেস্টুন প্রত্যাহারের আদেশ দেন।

ফেনী জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোছাম্মৎ শাহীনা আক্তার ভুল নির্বাচনী এলাকা প্রচার করায় প্রার্থীকে জরিমানা করে সকল প্রচার সামগ্রী প্রত্যাহারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের মনোনীত ফেনী-২ আসনের প্রার্থী মাওলানা নুরুল ইসলাম বলেন, এক সময় ফেনী-২ আসনের সঙ্গে সোনাগাজী উপজেলার একটি অংশ ছিল। সেই আলোকে প্রচার সামগ্রী তৈরি ও ব্যবহার করা আমার ভুল হয়েছে। তিনি বলেন, এরই মধ্যে মোমবাতি প্রতীকের এক হাজার পোস্টার, ৩০০ ফেস্টুন ও ১০টি ব্যানার ঝুলিয়েছি। এসব প্রচার সামগ্রীতে সোনাগাজীর একাংশ শব্দ দুটি কালি দিয়ে মুছে দেবো।