০১:৩৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬, ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফিলিস্তিনে বারবার আঘাত মেনে নেওয়া যায় না : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

  • ঢাকা ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৯:৪৪:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৩
  • 165
  • ফিলিস্তিনে নিহতদের স্মরণে শনিবার বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয় শোক
  • ১৬৪ সেতু ওভারপাস উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

 

ফিলিস্তিনে ইসরায়েলি হামলার নিন্দা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ফিলিস্তিনের ওপর বারবার আঘাত মেনে নেওয়া যায় না। গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে সড়ক ভবন থেকে ভার্চুয়ালি ১৫০টি সেতুসহ বিভিন্ন উন্নয়নকাজের উদ্বোধনকালে তিনি এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, সবাইকে এক হয়ে ফিলিস্তিনের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য চেষ্টা চালাতে হবে। আমরাও এর সঙ্গে আছি। আমাদের লড়তে হবে। এভাবে বারবার তাদের ওপর আঘাত হানা, এটা কখনো মেনে নেওয়া যায় না। এটা আমরা মানতে পারি না। ফিলিস্তিনিদের তাদের জমি ফেরত দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আমাদের কথা হলো দ্রুত এই যুদ্ধ বন্ধ করতে হবে। ফিলিস্তিনবাসী যেন তাদের ন্যায্য জায়গা ফেরত পায়। যে জায়গাগুলো ইসরায়েল দখল করেছে সেই জায়গাগুলো ফেরত দিতে হবে। শেখ হাসিনা বলেন, আমরা যুদ্ধের বিরুদ্ধে, আমরা শান্তি চাই। কারণ যুদ্ধের ভয়াবহতা আমরা নিজেরা জীবন দিয়ে দেখেছি।
তিনি বলেন, আজ ফিলিস্তিনের জনগণের ওপর ইসরায়েল যেভাবে হামলা করে, বিশেষ করে হাসপাতালে হামলা করে নারী, শিশু, মানুষকে যেভাবে হত্যা করেছে, আমরা এর নিন্দা জানিয়েছি। যেভাবে মানুষ হত্যা করেছে, শিশু হত্যা করেছে তাদের চেহারা সহ্য করা যায় না। অস্ত্র প্রতিযোগিতা এবং যুদ্ধ বন্ধ করে সেই টাকা সারা বিশ্বের শিশুদের শিক্ষা এবং শান্তির জন্য ব্যয় করার আহ্বান জানান শেখ হাসিনা।
গাজায় হতাহতের ঘটনায় এক দিনের শোক পালন করার কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শনিবার আমরা একটা দিন শোক দিবস ঘোষণা করেছি। সেই দিন আমাদের পতাকা অর্ধনমিত থাকবে। আগামী শুক্রবার সারা দেশের মসজিদসহ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোতে ফিলিস্তিনবাসীর জন্য দোয়া ও প্রার্থনা করার অনুরোধ করেন তিনি। গাজায় সহায়তা পাঠানো হবে জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ফিলিস্তিনে ওষুধ, শুকনা খাবার, প্রয়োজনীয় পণ্য আমরা পাঠাব। আমরা সব সময় দুর্গত মানুষের পাশে আছি। গাজা ইস্যুতে যারা চুপ, তাদের সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা দেখি অনেকে চুপ থাকেন, কারণ যারা এই ধরনের ঘটনা ঘটিয়েছে, তারা আবার যদি নাখোশ হয়, তাই নির্যাতিতদের পক্ষে কথা বলার সাহস তাদের নেই। তারা আবার আন্দোলন করে পদত্যাগের ডাক দেয়।
এ অনুষ্ঠান থেকে ময়মনসিংহে ব্রহ্মপুত্র নদের ওপর কেওয়াটখালি সেতু ও রহমতপুর সেতুর নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনসহ দেশব্যাপী নবনির্মিত ১৫০টি সেতু, ১৪টি ওভারপাস, ডিটিসিএ ভবন, বিআরটিএর স্বয়ংক্রিয় মোটরযান ফিটনেস পরীক্ষা কেন্দ্র, বিআরটিসির বাস ডিপো ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন সময়ে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের মধ্যে আর্থিক সহায়তা দেন।
ফিলিস্তিনে নিহতদের স্মরণে শনিবার বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয় শোক : ফিলিস্তিনে নিহতদের স্মরণে শনিবার বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয় শোক। ফিলিস্তিনে ইসরায়েলের হামলায় নিহতদের স্মরণে আগামী শনিবার দেশে এক দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ। বৃহস্পতিবার মন্ত্রিপরিষদসচিব মো. মাহবুব হোসেন স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ আদেশ জারি করা হয়। এতে বলা হয়, আগামী ২১ অক্টোবর বাংলাদেশের সরকারি, আধাসরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ সব ভবন ও বিদেশস্থ বাংলাদেশ মিশনসমূহে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত থাকবে। এ ছাড়া শুক্রবার বাদ জুমা নিহতদের আত্মার শান্তি ও আহতদের সুস্থতার জন্য দেশের সব মসজিদে দোয়া অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে রাজধানীর সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠানে ইসরায়েলি হামলার নিন্দা ও শোক প্রকাশের ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
১৬৪ সেতু ওভারপাস উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী : সারা দেশে সড়ক ও জনপদ অধিদপ্তরের আওতায় নির্মিত ১৫০টি সেতু ও ১৪টি ওভারপাস উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার দুপুরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাজধানীর সড়ক ভবন থেকে ভার্চুয়ালি এসব সেতু একযোগে উদ্বোধন করেন। এ ছাড়া সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ব্যক্তিদের পরিবার ও আহত ব্যক্তিদের হাতে আর্থিক সহায়তার চেক তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী। এর আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সড়ক ভবনে পৌঁছালে তাকে ফুল দিয়ে স্বাগত জানান সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। এ সময় সড়ক ভবন প্রাঙ্গণে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরাল ‘তৃতীয় নেত্র’ উদ্বোধন করেন। এরপর সেখানে একটি গাছের চারা রোপণ করেন তিনি।
ওবায়দুল কাদেরের সভাপতিত্বে এ সময় উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব এ বি এম আমিন উল্লাহ নুরীসহ আমন্ত্রিত অতিথিরা। দেশের ৮ বিভাগের ৩৯ জেলায় নির্মিত এই ১৫০ সেতুর মোট দৈর্ঘ্য ৯ হাজার ৪৫৪ মিটার বা ৯ দশমিক ৪৫ কিলোমিটার। যা নির্মাণে মোট ব্যয় হয়েছে ৩ হাজার ২৮৭ কোটি টাকা।
এর মধ্যে ময়মনসিংহ বিভাগে রয়েছে ৪০টি সেতু, ঢাকা বিভাগে ৩২টি, চট্টগ্রাম বিভাগে ২৭টি, রাজশাহী বিভাগে ২২টি সেতু, খুলনা বিভাগে ১২টি সেতু, বরিশাল ও রংপুর বিভাগে ৮টি করে সেতু এবং সিলেট বিভাগে একটি সেতু। এ ছাড়া রংপুর, সিরাজগঞ্জ, বগুড়া, গাইবান্ধা জেলায় ১৪টি ওভারপাস উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। ৬৮৯ মিটার দৈর্ঘ্যরে এসব স্থাপনায় নির্মাণ ব্যয় হয়েছে ২০৮ কোটি টাকা।
জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা) ও এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) আর্থিক সহযোগিতায় এসব প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে সরকার। যোগাযোগ বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এই ১৫০টি সেতু ও বিভিন্ন মহাসড়কের ১৪টি ওভারপাস প্রান্তিক জনগোষ্ঠী সারা দেশের যোগাযোগের ক্ষেত্রে বড় সুবিধা পাবে। সেতুগুলো প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জিডিপি বাড়াতে সহায়ক হবে। সারা দেশে যোগাযোগে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে এগুলো চালু হলে।

ফিলিস্তিনে বারবার আঘাত মেনে নেওয়া যায় না : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

আপডেট সময় : ০৯:৪৪:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৩
  • ফিলিস্তিনে নিহতদের স্মরণে শনিবার বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয় শোক
  • ১৬৪ সেতু ওভারপাস উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

 

ফিলিস্তিনে ইসরায়েলি হামলার নিন্দা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ফিলিস্তিনের ওপর বারবার আঘাত মেনে নেওয়া যায় না। গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে সড়ক ভবন থেকে ভার্চুয়ালি ১৫০টি সেতুসহ বিভিন্ন উন্নয়নকাজের উদ্বোধনকালে তিনি এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, সবাইকে এক হয়ে ফিলিস্তিনের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য চেষ্টা চালাতে হবে। আমরাও এর সঙ্গে আছি। আমাদের লড়তে হবে। এভাবে বারবার তাদের ওপর আঘাত হানা, এটা কখনো মেনে নেওয়া যায় না। এটা আমরা মানতে পারি না। ফিলিস্তিনিদের তাদের জমি ফেরত দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আমাদের কথা হলো দ্রুত এই যুদ্ধ বন্ধ করতে হবে। ফিলিস্তিনবাসী যেন তাদের ন্যায্য জায়গা ফেরত পায়। যে জায়গাগুলো ইসরায়েল দখল করেছে সেই জায়গাগুলো ফেরত দিতে হবে। শেখ হাসিনা বলেন, আমরা যুদ্ধের বিরুদ্ধে, আমরা শান্তি চাই। কারণ যুদ্ধের ভয়াবহতা আমরা নিজেরা জীবন দিয়ে দেখেছি।
তিনি বলেন, আজ ফিলিস্তিনের জনগণের ওপর ইসরায়েল যেভাবে হামলা করে, বিশেষ করে হাসপাতালে হামলা করে নারী, শিশু, মানুষকে যেভাবে হত্যা করেছে, আমরা এর নিন্দা জানিয়েছি। যেভাবে মানুষ হত্যা করেছে, শিশু হত্যা করেছে তাদের চেহারা সহ্য করা যায় না। অস্ত্র প্রতিযোগিতা এবং যুদ্ধ বন্ধ করে সেই টাকা সারা বিশ্বের শিশুদের শিক্ষা এবং শান্তির জন্য ব্যয় করার আহ্বান জানান শেখ হাসিনা।
গাজায় হতাহতের ঘটনায় এক দিনের শোক পালন করার কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শনিবার আমরা একটা দিন শোক দিবস ঘোষণা করেছি। সেই দিন আমাদের পতাকা অর্ধনমিত থাকবে। আগামী শুক্রবার সারা দেশের মসজিদসহ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোতে ফিলিস্তিনবাসীর জন্য দোয়া ও প্রার্থনা করার অনুরোধ করেন তিনি। গাজায় সহায়তা পাঠানো হবে জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ফিলিস্তিনে ওষুধ, শুকনা খাবার, প্রয়োজনীয় পণ্য আমরা পাঠাব। আমরা সব সময় দুর্গত মানুষের পাশে আছি। গাজা ইস্যুতে যারা চুপ, তাদের সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা দেখি অনেকে চুপ থাকেন, কারণ যারা এই ধরনের ঘটনা ঘটিয়েছে, তারা আবার যদি নাখোশ হয়, তাই নির্যাতিতদের পক্ষে কথা বলার সাহস তাদের নেই। তারা আবার আন্দোলন করে পদত্যাগের ডাক দেয়।
এ অনুষ্ঠান থেকে ময়মনসিংহে ব্রহ্মপুত্র নদের ওপর কেওয়াটখালি সেতু ও রহমতপুর সেতুর নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনসহ দেশব্যাপী নবনির্মিত ১৫০টি সেতু, ১৪টি ওভারপাস, ডিটিসিএ ভবন, বিআরটিএর স্বয়ংক্রিয় মোটরযান ফিটনেস পরীক্ষা কেন্দ্র, বিআরটিসির বাস ডিপো ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন সময়ে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের মধ্যে আর্থিক সহায়তা দেন।
ফিলিস্তিনে নিহতদের স্মরণে শনিবার বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয় শোক : ফিলিস্তিনে নিহতদের স্মরণে শনিবার বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয় শোক। ফিলিস্তিনে ইসরায়েলের হামলায় নিহতদের স্মরণে আগামী শনিবার দেশে এক দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ। বৃহস্পতিবার মন্ত্রিপরিষদসচিব মো. মাহবুব হোসেন স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ আদেশ জারি করা হয়। এতে বলা হয়, আগামী ২১ অক্টোবর বাংলাদেশের সরকারি, আধাসরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ সব ভবন ও বিদেশস্থ বাংলাদেশ মিশনসমূহে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত থাকবে। এ ছাড়া শুক্রবার বাদ জুমা নিহতদের আত্মার শান্তি ও আহতদের সুস্থতার জন্য দেশের সব মসজিদে দোয়া অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে রাজধানীর সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠানে ইসরায়েলি হামলার নিন্দা ও শোক প্রকাশের ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
১৬৪ সেতু ওভারপাস উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী : সারা দেশে সড়ক ও জনপদ অধিদপ্তরের আওতায় নির্মিত ১৫০টি সেতু ও ১৪টি ওভারপাস উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার দুপুরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাজধানীর সড়ক ভবন থেকে ভার্চুয়ালি এসব সেতু একযোগে উদ্বোধন করেন। এ ছাড়া সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ব্যক্তিদের পরিবার ও আহত ব্যক্তিদের হাতে আর্থিক সহায়তার চেক তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী। এর আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সড়ক ভবনে পৌঁছালে তাকে ফুল দিয়ে স্বাগত জানান সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। এ সময় সড়ক ভবন প্রাঙ্গণে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরাল ‘তৃতীয় নেত্র’ উদ্বোধন করেন। এরপর সেখানে একটি গাছের চারা রোপণ করেন তিনি।
ওবায়দুল কাদেরের সভাপতিত্বে এ সময় উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব এ বি এম আমিন উল্লাহ নুরীসহ আমন্ত্রিত অতিথিরা। দেশের ৮ বিভাগের ৩৯ জেলায় নির্মিত এই ১৫০ সেতুর মোট দৈর্ঘ্য ৯ হাজার ৪৫৪ মিটার বা ৯ দশমিক ৪৫ কিলোমিটার। যা নির্মাণে মোট ব্যয় হয়েছে ৩ হাজার ২৮৭ কোটি টাকা।
এর মধ্যে ময়মনসিংহ বিভাগে রয়েছে ৪০টি সেতু, ঢাকা বিভাগে ৩২টি, চট্টগ্রাম বিভাগে ২৭টি, রাজশাহী বিভাগে ২২টি সেতু, খুলনা বিভাগে ১২টি সেতু, বরিশাল ও রংপুর বিভাগে ৮টি করে সেতু এবং সিলেট বিভাগে একটি সেতু। এ ছাড়া রংপুর, সিরাজগঞ্জ, বগুড়া, গাইবান্ধা জেলায় ১৪টি ওভারপাস উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। ৬৮৯ মিটার দৈর্ঘ্যরে এসব স্থাপনায় নির্মাণ ব্যয় হয়েছে ২০৮ কোটি টাকা।
জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা) ও এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) আর্থিক সহযোগিতায় এসব প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে সরকার। যোগাযোগ বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এই ১৫০টি সেতু ও বিভিন্ন মহাসড়কের ১৪টি ওভারপাস প্রান্তিক জনগোষ্ঠী সারা দেশের যোগাযোগের ক্ষেত্রে বড় সুবিধা পাবে। সেতুগুলো প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জিডিপি বাড়াতে সহায়ক হবে। সারা দেশে যোগাযোগে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে এগুলো চালু হলে।