রংপুরে জেঁকে বসেছে হাড় কাঁপানো শীত। গত কয়েক ধরে কুয়াশাচ্ছন্ন থাকছে দিন। সূর্যাস্তের সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে থাকে ঘন কুয়াশা, সাথে হিম শীতল বাতাস।
আজ (২ জানুয়ারি) মঙ্গলবার শীতের সকালে জেলার পীরগাছা উপজেলার কিছু এলাকায় তীব্র শীত আর ঘন কুয়াশাকে উপেক্ষা করে জীবিকার তাগিদে মাঠে কাজ করতে দেখা যায় কৃষকদের। অন্যদিকে নগরীর শাপলা এলাকাসহ বিভিন্ন পয়েন্টে কাজের সন্ধানে জবুথবুভাবে বসে থাকতে দেখা গেছে শ্রমিকদের।
মঙ্গলবার সকালে কুয়াশাচ্ছন্ন আবহাওয়ায় ঢেকে থাকে রংপুরের প্রকৃতি। দুপুরের দিকে কুয়াশা ভেদ করে উঁকি দেয় লাল সূর্য। খেটে খাওয়া মানুষদের উপার্জনে প্রভাব ফেলেছে এ মেঘাচ্ছন্ন আবহাওয়া। তবে ছিন্নমূল ও নিম্নআয়ের মানুষের পাশাপাশি গবাদি পশুপাখিও শীতের তীব্রতায় কাহিল হয়ে পড়েছে।
রংপুর, গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম, নীলফামারীসহ উত্তরাঞ্চলের জেলাগুলোতে শীতের তীব্রতা বেড়েছে। শীত কালের শুরুতে তেমন একটা শীত না থাকলেও শেষ সময়ে শীতের যে তীব্রতা বেড়েছে তাতে গ্রামাঞ্চলের খেটে খাওয়া মানুষ চরম বিপাকে পড়েছে।
রংপুর আবহাওয়া অফিসের আবহাওয়াবিদ মোস্তাফিজুর রহমান সবুজ বাংলাকে বলেন, মঙ্গলবার রংপুরে ১২ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। এছাড়াও সর্বনিম্ন ৯ দশমিক ০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে নীলফামারী সৈয়দপুরে।














