০৮:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২৬, ৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ট্যুরিজম খাতে সহযোগিতা করতে চায় আরব আমিরাত

 

 

পর্যটন শিল্পের উন্নয়নে সহযোগিতা ও সহায়তা করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। গতকাল সচিবালয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী মুহাম্মদ ফারুক খানের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে দেশটির রাষ্ট্রদূত আব্দুল্লাহ আলী আল হামুদি এ কথা জানান।

রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশে পর্যটন শিল্পে উজ্জ্বল সম্ভাবনা রয়েছে। এই সম্ভাবনাকে বাস্তবায়ন করতে এভিয়েশন খাতের বিদ্যমান অংশীদারিত্ব আরো বৃদ্ধির পাশাপাশি পর্যটন শিল্পের উন্নয়নে সহযোগিতা ও সহায়তা করতে চাই। এভিয়েশন ও পর্যটন শিল্প দুদেশের জনগণের বন্ধুত্ব আরো দৃঢ় করবে।

জবাবে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের পর্যটন উন্নয়নে বর্তমান সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে। ইতোমধ্যে দেশের অভ্যন্তরীণ পর্যটকের সংখ্যা ২ কোটি ছাড়িয়ে গেছে। বিদেশি পর্যটক আকর্ষণে আমরা নানা ব্যবস্থা গ্রহণ করছি। বাংলাদেশের পর্যটন অবকাঠামো উন্নয়ন, হোটেল ও রিসোর্ট নির্মাণে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিনিয়োগ করার সুযোগ রয়েছে। যদি আমিরাত এই খাতে বিনিয়োগ করে তবে আমরা তাদের সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করব।

তিনি বনলেন, এভিয়েশন খাতের বিদ্যমান সম্পর্কের পাশাপাশি পর্যটন শিল্পে নতুন সহযোগিতার ক্ষেত্র, দুদেশের সম্পর্ককে আরো উচ্চতায় নিয়ে যাবে।

ট্যুরিজম খাতে সহযোগিতা করতে চায় আরব আমিরাত

আপডেট সময় : ০৭:২৯:১০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২০ মার্চ ২০২৪

 

 

পর্যটন শিল্পের উন্নয়নে সহযোগিতা ও সহায়তা করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। গতকাল সচিবালয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী মুহাম্মদ ফারুক খানের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে দেশটির রাষ্ট্রদূত আব্দুল্লাহ আলী আল হামুদি এ কথা জানান।

রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশে পর্যটন শিল্পে উজ্জ্বল সম্ভাবনা রয়েছে। এই সম্ভাবনাকে বাস্তবায়ন করতে এভিয়েশন খাতের বিদ্যমান অংশীদারিত্ব আরো বৃদ্ধির পাশাপাশি পর্যটন শিল্পের উন্নয়নে সহযোগিতা ও সহায়তা করতে চাই। এভিয়েশন ও পর্যটন শিল্প দুদেশের জনগণের বন্ধুত্ব আরো দৃঢ় করবে।

জবাবে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের পর্যটন উন্নয়নে বর্তমান সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে। ইতোমধ্যে দেশের অভ্যন্তরীণ পর্যটকের সংখ্যা ২ কোটি ছাড়িয়ে গেছে। বিদেশি পর্যটক আকর্ষণে আমরা নানা ব্যবস্থা গ্রহণ করছি। বাংলাদেশের পর্যটন অবকাঠামো উন্নয়ন, হোটেল ও রিসোর্ট নির্মাণে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিনিয়োগ করার সুযোগ রয়েছে। যদি আমিরাত এই খাতে বিনিয়োগ করে তবে আমরা তাদের সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করব।

তিনি বনলেন, এভিয়েশন খাতের বিদ্যমান সম্পর্কের পাশাপাশি পর্যটন শিল্পে নতুন সহযোগিতার ক্ষেত্র, দুদেশের সম্পর্ককে আরো উচ্চতায় নিয়ে যাবে।