১১:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তুরস্কের স্থানীয় সরকার নির্বাচন

তুরস্কের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ঐতিহাসিক জয় তুলে নিয়েছেন প্রধান বিরোধী দল সিএইচপির প্রার্থীরা। হেরে গেছেন প্রেসিডেন্ট এরদোগানের একে পার্টির মনোনীতরা। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম আনাদোলু বলছে, তুরস্কের ৮১টি প্রদেশের মধ্যে ৩৬টিতে এগিয়ে সিএইচপি। এসব প্রদেশের অনেক জায়গায় একে পার্টির অবস্থান অনেক শক্তিশালী ছিল।

 

 

ইস্তানবুল, আঙ্কারাসহ দেশটির প্রধান শহরগুলোয় বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছে বিরোধী দলগুলো। দুই দশকের বেশি সময়ের মধ্যে প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েব এরদোগান ও তার দল জাস্টিস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টির (একে পার্টি) জন্য এটিকে সবচেয়ে বড় পরাজয় বলে মনে করা হচ্ছে।

 

ইস্তানবুলে আবারও মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন প্রধান বিরোধী দল রিপাবলিকান পিপলস পার্টির (সিএইচপি) প্রধান একরেম ইমামোগলু। ৫০ শতাংশের বেশি ভোট পেয়েছেন তিনি। এই ভোট একে পার্টির প্রার্থীর তুলনায় ১০ শতাংশ বেশি। রাজধানী আঙ্কারায় ৫৯ শতাংশের বেশি ভোট নিয়ে জয় পেয়েছেন মনসুর ইয়াভাস। এছাড়া ইজমির, বুরসা, আদানা, আনাতালিয়াসহ বড় বড় শহরগুলোয়ও আধিপত্য সিএইচপির। বেশ কয়েকটি স্থানে জয় পেয়েছে ডিইএম।

 

 

গত রোববার ইস্তান্বুুলে ৯৫ শতাংশ ব্যালটের গণনা শেষে (সিএইচপি) মেয়র একরেম ইমামোগলু বলেন, তিনি এরদোগানের ক্ষমতাসীন দল একে পার্টির প্রার্থীকে ১০ লাখের বেশি ভোটে পরাজিত করেছেন। এছাড়া তুরস্কের তৃতীয় বৃহৎ শহর ইজমিরেও এগিয়ে রয়েছে সিএইচপি।
প্রেসিডেন্ট প্রাসাদের বারান্দায় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে দেওয়া এক ভাষণে এরদোগান বলেছেন, এ কে পার্টি তার প্রভাবশালী অবস্থান হারিয়েছে। এ হারের পেছনের কারণ খোঁজা হবে। কোনো ভুল-ত্রুটি থাকলে তা শুধরে নেওয়া হবে।

তুরস্কের স্থানীয় সরকার নির্বাচন

আপডেট সময় : ০৭:৪০:২৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ এপ্রিল ২০২৪

তুরস্কের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ঐতিহাসিক জয় তুলে নিয়েছেন প্রধান বিরোধী দল সিএইচপির প্রার্থীরা। হেরে গেছেন প্রেসিডেন্ট এরদোগানের একে পার্টির মনোনীতরা। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম আনাদোলু বলছে, তুরস্কের ৮১টি প্রদেশের মধ্যে ৩৬টিতে এগিয়ে সিএইচপি। এসব প্রদেশের অনেক জায়গায় একে পার্টির অবস্থান অনেক শক্তিশালী ছিল।

 

 

ইস্তানবুল, আঙ্কারাসহ দেশটির প্রধান শহরগুলোয় বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছে বিরোধী দলগুলো। দুই দশকের বেশি সময়ের মধ্যে প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েব এরদোগান ও তার দল জাস্টিস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টির (একে পার্টি) জন্য এটিকে সবচেয়ে বড় পরাজয় বলে মনে করা হচ্ছে।

 

ইস্তানবুলে আবারও মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন প্রধান বিরোধী দল রিপাবলিকান পিপলস পার্টির (সিএইচপি) প্রধান একরেম ইমামোগলু। ৫০ শতাংশের বেশি ভোট পেয়েছেন তিনি। এই ভোট একে পার্টির প্রার্থীর তুলনায় ১০ শতাংশ বেশি। রাজধানী আঙ্কারায় ৫৯ শতাংশের বেশি ভোট নিয়ে জয় পেয়েছেন মনসুর ইয়াভাস। এছাড়া ইজমির, বুরসা, আদানা, আনাতালিয়াসহ বড় বড় শহরগুলোয়ও আধিপত্য সিএইচপির। বেশ কয়েকটি স্থানে জয় পেয়েছে ডিইএম।

 

 

গত রোববার ইস্তান্বুুলে ৯৫ শতাংশ ব্যালটের গণনা শেষে (সিএইচপি) মেয়র একরেম ইমামোগলু বলেন, তিনি এরদোগানের ক্ষমতাসীন দল একে পার্টির প্রার্থীকে ১০ লাখের বেশি ভোটে পরাজিত করেছেন। এছাড়া তুরস্কের তৃতীয় বৃহৎ শহর ইজমিরেও এগিয়ে রয়েছে সিএইচপি।
প্রেসিডেন্ট প্রাসাদের বারান্দায় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে দেওয়া এক ভাষণে এরদোগান বলেছেন, এ কে পার্টি তার প্রভাবশালী অবস্থান হারিয়েছে। এ হারের পেছনের কারণ খোঁজা হবে। কোনো ভুল-ত্রুটি থাকলে তা শুধরে নেওয়া হবে।