০২:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অনুমতি ছাড়াই দুই যুগের পুরনো কলেজের গাছ কাটার অভিযোগ 

গাজীপুরের শ্রীপুরে মুক্তিযোদ্ধা রহমত আলী সরকারি কলেজের প্রায় দুই যুগের পুরনো ৪টি গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ পাওয়া গেছে।  এর মধ্যে তিনটি বনজ কড়ই ও একটি খেজুর গাছ। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, অতি সম্প্রতি সরকারি উদ্যোগে কলেজের দক্ষিণ ও পূর্ব সীমানা প্রাচীর নির্মাণের কাজ শুরু হয়।
দক্ষিণ সীমানায় একতলা হলুদ ভবনের পেছনে ওই ৪টি গাছ ছিল। সীমানা প্রাচীরের দেয়াল সোজা করার অজুহাতে গাছ ৪টি সকলের অগোচরে কেটে ফেলা হয়েছে। কলেজ কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও সম্ভব না হওয়ায় পরে অন্যান্য শিক্ষকদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা জানান,সীমানা প্রাচীর নির্মাণ জরুরী হয়ে পড়ায় এটি করতে হয়েছে।এদিকে, স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, বিশেষ কোনো ব্যাক্তিকে সুবিধা দেওয়ার জন্য দক্ষিণ পাশে আগের সীমানা প্রাচীরের অবস্থান থেকে কিছুটা সরিয়ে বর্তমান সীমানা প্রাচীরটি করা হয়।
আর সেখানে নতুন সীমানা প্রাচীর নির্মাণের বিষয়টি গাছের জন্য প্রতিবন্ধকতা হিসেবে চিহ্নিত করে গাছ ৪টি কেটে ফেলা হয়। স্থানীয় পরিবেশবাদীদের ভাষ্যমতে, যেখানে আবহাওয়া বিপর্যয়ের মতো ঘটনা ঘটে চলেছে সেখানে সরকার প্রতিনিয়ত গাছ রোপনের পরামর্শ দিচ্ছেন।
গাছ কাটার প্রয়োজন হলে সরকারিভাবে যুগপোযোগী আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্তের বিষয়টিকে গুরুত্ব না দিয়ে অনুমতি ছাড়া সরকারি গাছ কাটা ধৃষ্টতার শামিল। পরিবেশবাদীদের পক্ষ থেকে এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়েছে।
জনপ্রিয় সংবাদ

অনুমতি ছাড়াই দুই যুগের পুরনো কলেজের গাছ কাটার অভিযোগ 

আপডেট সময় : ০৮:৪৭:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ মে ২০২৪
গাজীপুরের শ্রীপুরে মুক্তিযোদ্ধা রহমত আলী সরকারি কলেজের প্রায় দুই যুগের পুরনো ৪টি গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ পাওয়া গেছে।  এর মধ্যে তিনটি বনজ কড়ই ও একটি খেজুর গাছ। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, অতি সম্প্রতি সরকারি উদ্যোগে কলেজের দক্ষিণ ও পূর্ব সীমানা প্রাচীর নির্মাণের কাজ শুরু হয়।
দক্ষিণ সীমানায় একতলা হলুদ ভবনের পেছনে ওই ৪টি গাছ ছিল। সীমানা প্রাচীরের দেয়াল সোজা করার অজুহাতে গাছ ৪টি সকলের অগোচরে কেটে ফেলা হয়েছে। কলেজ কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও সম্ভব না হওয়ায় পরে অন্যান্য শিক্ষকদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা জানান,সীমানা প্রাচীর নির্মাণ জরুরী হয়ে পড়ায় এটি করতে হয়েছে।এদিকে, স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, বিশেষ কোনো ব্যাক্তিকে সুবিধা দেওয়ার জন্য দক্ষিণ পাশে আগের সীমানা প্রাচীরের অবস্থান থেকে কিছুটা সরিয়ে বর্তমান সীমানা প্রাচীরটি করা হয়।
আর সেখানে নতুন সীমানা প্রাচীর নির্মাণের বিষয়টি গাছের জন্য প্রতিবন্ধকতা হিসেবে চিহ্নিত করে গাছ ৪টি কেটে ফেলা হয়। স্থানীয় পরিবেশবাদীদের ভাষ্যমতে, যেখানে আবহাওয়া বিপর্যয়ের মতো ঘটনা ঘটে চলেছে সেখানে সরকার প্রতিনিয়ত গাছ রোপনের পরামর্শ দিচ্ছেন।
গাছ কাটার প্রয়োজন হলে সরকারিভাবে যুগপোযোগী আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্তের বিষয়টিকে গুরুত্ব না দিয়ে অনুমতি ছাড়া সরকারি গাছ কাটা ধৃষ্টতার শামিল। পরিবেশবাদীদের পক্ষ থেকে এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়েছে।