০২:২৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬, ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইমো অর্জন করেছে গুগলের ‘সোশ্যাল ইমপ্যাক্ট অ্যাওয়ার্ড’

প্রবাসীদের যোগাযোগ সহজীকরণ থেকে শুরু করে, সরকারের ৩৩৩ হেল্পলাইনের সঙ্গে সংযুক্তি; বছরজুড়ে এমন নানাবিধ সামাজিক সেবামূলক কাজ চালিয়ে গেছে ইমো। এরই স্বীকৃতিস্বরূপ প্রতিষ্ঠানটিকে এবার ‘স্যোশাল ইমপ্যাক্ট অ্যাওয়ার্ড’ পুরস্কার দিয়েছে গুগল।

সম্প্রতি গুগলের এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে (অ্যাপসামিট২০২৩) বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করে গুগল। যেখানে স্যোশাল ইম্প্যাক্ট ক্যাটাগরিতে ইমোকে এই পার্টনার রিকগনিশন অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়।

দূরত্ব ও সীমানার বাধা পেরিয়ে ব্যবহারীদের সংযুক্ত রাখার মাধ্যমে তাদের ক্ষমতায়নে ভূমিকা রাখছে ইমো; পাশাপাশি, ব্র্যান্ডটি সমাজের উন্নয়নেও কাজ করে যাচ্ছে। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, ৩৩৩ হেল্পলাইন চ্যানেল, ইমো হিরো স্টোরি শর্ট-ফিল্ম, সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষার জন্য সহায়তা এবং বন্যা ত্রাণসহ মানুষের সেবার লক্ষ্যে ইমোর গৃহীত বিভিন্ন উদ্যোগ।

এছাড়া, সবার জন্য মানসম্পন্ন শিক্ষা নিশ্চিত করতে জাগো ফাউন্ডেশনকে শিক্ষামূলক স্টেশনারি প্রদান করেছে ইমো, যা বছরজুড়ে ১২শ’ সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের সহায়তা করছে। এসব সামাজিক উদ্যোগগুলো দেশে ও বাইরে বসবাসকারী বাংলাদেশিদের জীবনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে। দেশ ও সমাজের উন্নতি ও কল্যাণের লক্ষ্যে ইমোর অটল প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন এ ‘সোশ্যাল ইমপ্যাক্ট অ্যাওয়ার্ড।’

ইমো অর্জন করেছে গুগলের ‘সোশ্যাল ইমপ্যাক্ট অ্যাওয়ার্ড’

আপডেট সময় : ০৬:০১:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জানুয়ারী ২০২৪

প্রবাসীদের যোগাযোগ সহজীকরণ থেকে শুরু করে, সরকারের ৩৩৩ হেল্পলাইনের সঙ্গে সংযুক্তি; বছরজুড়ে এমন নানাবিধ সামাজিক সেবামূলক কাজ চালিয়ে গেছে ইমো। এরই স্বীকৃতিস্বরূপ প্রতিষ্ঠানটিকে এবার ‘স্যোশাল ইমপ্যাক্ট অ্যাওয়ার্ড’ পুরস্কার দিয়েছে গুগল।

সম্প্রতি গুগলের এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে (অ্যাপসামিট২০২৩) বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করে গুগল। যেখানে স্যোশাল ইম্প্যাক্ট ক্যাটাগরিতে ইমোকে এই পার্টনার রিকগনিশন অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়।

দূরত্ব ও সীমানার বাধা পেরিয়ে ব্যবহারীদের সংযুক্ত রাখার মাধ্যমে তাদের ক্ষমতায়নে ভূমিকা রাখছে ইমো; পাশাপাশি, ব্র্যান্ডটি সমাজের উন্নয়নেও কাজ করে যাচ্ছে। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, ৩৩৩ হেল্পলাইন চ্যানেল, ইমো হিরো স্টোরি শর্ট-ফিল্ম, সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষার জন্য সহায়তা এবং বন্যা ত্রাণসহ মানুষের সেবার লক্ষ্যে ইমোর গৃহীত বিভিন্ন উদ্যোগ।

এছাড়া, সবার জন্য মানসম্পন্ন শিক্ষা নিশ্চিত করতে জাগো ফাউন্ডেশনকে শিক্ষামূলক স্টেশনারি প্রদান করেছে ইমো, যা বছরজুড়ে ১২শ’ সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের সহায়তা করছে। এসব সামাজিক উদ্যোগগুলো দেশে ও বাইরে বসবাসকারী বাংলাদেশিদের জীবনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে। দেশ ও সমাজের উন্নতি ও কল্যাণের লক্ষ্যে ইমোর অটল প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন এ ‘সোশ্যাল ইমপ্যাক্ট অ্যাওয়ার্ড।’